দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাকিস্তানের অধিকৃত আজাদ কাশ্মীরে অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে গত প্রায় দুই সপ্তাহে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২০ জুন) এএফপি, স্কাই নিউজ ও রয়টার্সের পৃথক প্রতিবেদনে জানানো হয়, সংঘর্ষে আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। বিক্ষোভে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে জেএএকের ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছোড়া ইট-পাটকেলে ৯৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।
জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএকে) নামের স্থানীয় রাজনৈতিক জোটের ডাকা আন্দোলন গত ৫ জুন থেকে শুরু হয়। ৯ জুন হরতালের পর থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘাত তীব্র হয়। আন্দোলনকারীদের দাবির মধ্যে রয়েছে বিধানসভায় সংরক্ষিত আসন ব্যবস্থা তুলে দেওয়া এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।
বিক্ষোভের বর্তমান কেন্দ্র রাওয়ালকোট শহর। আজাদ কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে এই শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। মূল সড়কগুলো বন্ধ এবং ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের উপস্থিতিও সীমিত করা হয়েছে।
আজাদ কাশ্মীরের পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক বলেন, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে।
বিক্ষোভ ও কারফিউয়ের কারণে অঞ্চলটি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। মুজাফফরাবাদের বাসিন্দা মুহম্মদ মাসকিন বলেন, ‘আমি ওষুধের জন্য গত কয়েকদিন ধরে ঘুরছি, এখনও পাইনি।’ আরেক বাসিন্দা সাবার হোসেন বলেন, ‘গত আটদিন ধরে আমরা খুব কঠিন সময় পার করছি। বাজারগুলো বন্ধ, শাক-সবজি ছাড়া কিছুই পাওয়া যাচ্ছে না।’
সুত্র- রয়টার্স, স্কাই নিউজ
এমএম/